সিঙ্গাপুরে মেডিকেল রেডিওলজিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্ট, স্পিচ থেরাপিস্ট, এবং অন্যান্য প্যারামেডিকেল কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধির কথা জানা গেছে। ২০২৩ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ২০২২ সালের ৬,০০০ থেকে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭,৫০০ জনে পৌঁছাবে।
এই তথ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে ঘোষণা করেছেন। এই সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি পাবলিক হেলথ সেক্টরে সহায়ক কর্মীদের সংখ্যাও বেড়েছে।
কিন্তু, এই খাত বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখেও পড়েছে। প্যারামেডিকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ২০১৮ সালে ৮.৯৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৩ সালে ১১.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, সোশ্যাল কেয়ার সেক্টরে বেকারত্ব কিছুটা কমেছে, যদিও কর্মীদের সামগ্রিক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালে এই খাতে বেকারত্বের হার ছিল ১৭.৭ শতাংশ, যা ২০২২ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১১.৩ শতাংশে।
এছাড়া দেখা গেছে, চিকিৎসক ও নার্সদের তুলনায় প্যারামেডিকেল স্টাফদের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা বেশি।
এসব পরিসংখ্যান দেখেই বোঝা যায় যে সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা খাতে দক্ষ জনশক্তিকে ধরে রাখার জন্য বিশেষ কর্মসূচি জরুরি। এটি নিশ্চিত করবে যে স্বাস্থ্যখাতের কর্মীরা স্থিতিশীল এবং দেশের জনগণের স্বাস্থ্য চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
Read More!
